গত এক সপ্তাহ ধরে উত্তর আমেরিকার এই দেশটিতে তীব্র ঠান্ডা ও তুষারপাত হচ্ছে। তীব্র তুষারপাত ও তুষারঝড়ের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃতের সংখ্যা। এখন পর্যন্ত ৮৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে; যাদের বেশিরভাগই টেনিসিতে। এর পরের অবস্থানে আছে ওরেগন, ইলিনয় ও পেনসিলভেনিয়া।
টেনেসি রাজ্যের ডিপার্টমেন্ট অফ হেলথ জানিয়েছে তাদের রাজ্যে আবহাওয়া জনিত কারণে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, ওরেগন রাজ্যের কর্মকর্তারা ১৬ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া ইলিনয়, পেনসিলভানিয়া, মিসিসিপি, ওয়াশিংটন, কেনটাকি, উইসকনসিন, নিউ ইয়র্ক, নিউ জার্সি ও আরও অনেক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, তারা শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) নিউ ইয়র্ক শহরে যে পরিমাণ তুষারপাতের ধারণা করা হয়েছিল, তার চেয়েও বেশি তুষারপাত হয়েছে। দেশটির কেন্দ্রীয় আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত এ ধরনের আবহাওয়া অব্যাহত থাকবে।
তীব্র শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়েছে টেক্সাসও। ২৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত তুষারপাত হয়েছে আইওয়ায়। বিরূপ আবহাওয়ার শিকার ফিলাডেলফিয়াও।
দেশটির পশ্চিম উপকূলে মারাত্মক বরফ ঝড় এই অঞ্চলে আঘাত করার পর থেকে ওরেগনে জরুরি অবস্থার জারি রয়েছে ও প্রায় ৪৫ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। নিউইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, ওরেগন থেকে মেইন অঙ্গরাজ্যের ৭ কোটিরও বেশি মানুষকে জরুরি অবস্থার আওতায় আনা হয়েছে।
এদিকে, দেশটির অনেক এলাকার তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও নিচে নেমে যাওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুতের তীব্র অভাবে পড়েছে। পেনসিলভেনিয়া, ক্যালিফোর্নিয়া, নিউ মেক্সিকো ও ইন্ডিয়ানাতেও লোডশেডিংয়ের খবর পাওয়া গেছে। তীব্র ঠান্ডার কারণে টেনেসি অঙ্গরাজ্যের মেম্ফিস শহরের অনেক পানির পাইপ ভেঙে গেছে।