অভ্যন্তরীণ দাবি দাওয়া নিয়ে মালিকপক্ষের সাথে বনিবনা না হওয়ায় আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের অন্তত ৯০টি কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। তবে এ নিয়ে শিল্পাঞ্চলে কোনো ধরনের আন্দোলন বা বিক্ষোভের খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া শিল্পাঞ্চলের অন্যান্য কারখানাসহ ঢাকা ইপিজেডের কারখানাগুলো চালু রয়েছে।
এর আগে, সোমবার সকালে সাভার-আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের প্রায় সব কারখানায় কাজে যোগ দেয় শ্রমিকরা।
জানা গেছে, বেশ কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা সোমবার সকালে কাজে যোগ না দিয়ে বেরিয়ে পড়েন। এ ঘটনার পর ৯০টি কারখানায় বন্ধের নোটিশ টানিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ।
সারোয়ার আলম বলেন, পোশাক কারখানা ছুটি ঘোষণা করলেও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র্যাব সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
এর আগে, আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে নানা দাবিতে রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) শ্রমিকদের বিক্ষোভের মুখে ৩০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।
শিল্প মালিকরা বলছেন, দেশের তৈরি পোশাক শিল্প অস্থিতিশীল করে তুলতে দেশি-বিদেশি চক্রান্ত চলছে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বিভিন্ন জায়গায় নানা অজুহাতে আন্দোলন ও কারখানা ভাঙচুর শুরু করে দুর্বৃত্তরা। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে, ভয়ংকর পরিস্থিতির মুখে পড়বে পোশাক খাত। ফায়দা নিতে ওত পেতে আছে বেশ কিছু দেশ।
প্রসঙ্গত, গত প্রায় ১০ দিন ধরে শ্রমিকদের বিভিন্ন দাবির মুখে আশুলিয়ার পোশাক খাতে অস্থিরতা বিরাজ করছে। বিজিএমইএ এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গতকাল সব পোশাক কারখানায় মালিক পক্ষ উপস্থিত থেকে কারখানা খোলা হলেও দুপুরের পরে বেড়ে যায় অস্থিরতা। এসব কারখানার মধ্যে প্রায় ৩০টি কারখানার শ্রমিকদের দাবি নিয়ে মালিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়। আলোচনায় কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে না পেরে এসব কারখানা ছুটি ঘোষণা করলে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে শিল্পাঞ্চলে।