ঘটনা, অস্থিরতা, আশা আর গভীর শোক—সব মিলিয়ে বিদায় নিল ঘটনাবহুল ২০২৫ সাল। ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে প্রকৃতি ও জনজীবনে আগমন ঘটলো নতুন বছরের। প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, আনন্দ-বেদনার অম্লমধুর স্মৃতি পেছনে ফেলে নতুন স্বপ্ন, নতুন আশা আর আগামীর অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা শুরু হলো ২০২৬ সাল। আজ (বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি) ইংরেজি নববর্ষ। ২০২৫-এর বছরজুড়ে নানা ঘটনায় চড়াই-উতরাই থাকলেও সাধারণ মানুষের মাঝে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়। নতুন বছরকে জানাচ্ছে অভিবাদন।

রাজনীতি, সমাজ, অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নানা চড়াই-উতরাইয়ের সাক্ষী হয়েছে বছরটি। গণ-অভ্যুত্থান–পরবর্তী বাংলাদেশ যেমন নতুন পথের সন্ধানে ছিল, তেমনি ২০২৫ সালে ঘটে যাওয়া একের পর এক বড় ঘটনা বারবার নাড়িয়ে দিয়েছে জনজীবন। বছরের শেষ সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতির খাতায় জমা পড়ছে অর্জন ও বেদনার দিনগুলো।

২০২৬ সালের এই উদয় কেবল ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টানো নয়; এটি একটি জাতির পুনর্জন্ম। এটি এক পবিত্র অঙ্গীকার যে, উত্তাল সময়ের শিক্ষাগুলোই হবে আগামীর পথপ্রদর্শক। এ জাতি এখন আর শুধু কোনোমতে টিকে থাকাতে সন্তুষ্ট নয়; বরং আমরা এখন অদম্য সাহসে শ্রেষ্ঠত্বের শিখরে পৌঁছাতে বদ্ধপরিকর।

বাংলাদেশ আজ তার সোনালি ভবিষ্যতের দিকে পা বাড়াচ্ছে, যা এ দেশের মানুষের অদম্য প্রাণশক্তি আর আশার অবিনশ্বর শক্তিরই এক জীবন্ত দলিল।

এদিকে আন্তর্জাতিক সময়ের পার্থক্যের কারণে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ২০২৬ সালকে স্বাগত জানিয়েছে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র কিরিবাতি। এরপর বর্ণাঢ্য আতশবাজির মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। সিডনি হারবার ব্রিজে হাজারও মানুষের উল্লাস আর আলোকসজ্জা বিশ্ববাসীকে জানান দিচ্ছে এক নতুন শুরুর কথা।