বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর দীর্ঘদিনের পারিবারিক পরিচারিকা ফাতেমা বেগমকে আইনিভাবে বোনের স্বীকৃতি দিয়েছেন। ১৮ বছর ধরে পরিবারের প্রতি ফাতেমার অসামান্য ত্যাগ এবং কারাবন্দী অবস্থায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পাশে থাকার স্বীকৃতিস্বরূপ এই ব্যতিক্রমী ও আবেগঘন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
চলচ্চিত্র পরিচালক রবিউল ইসলাম রাজের ফেসবুক ওয়ালে প্রকাশিত তথ্যের বরাতে এই চাঞ্চল্যকর ও মানবিক খবরটি সামনে এসেছে।
তারেক রহমান আবেগ আপ্লুত হয়ে বলেন, “আজ আমার মা নেই, এই ১৮ বছরে ফাতেমা মায়ের ছায়াসঙ্গী হওয়ার কারণে ফাতেমার শরীর থেকে আমি আমার মায়ের গন্ধ খুঁজে পাই।”
প্রতিবেদনে জানানো হয়, ফাতেমাকে কেবল মৌখিকভাবে নয়, বরং আইনিভাবে ‘অ্যাডপ্ট’ বা দত্তক নেওয়ার মাধ্যমে বোনের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের একমাত্র মেয়ে এবং তারেক রহমান ও মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর বোন হিসেবে পরিচিত হবেন।
তারেক রহমান স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, জিয়া পরিবারের সকল সম্পত্তিতে ফাতেমা আইনিভাবে সমান অংশীদার হবেন।পরিবারের একমাত্র কন্যা হিসেবে তাকে মর্যাদাপূর্ণ আসনে অধিষ্ঠিত করা হয়েছে। দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও দেশবাসীকে তাকে বোনের সম্মানে দেখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর মিশ্র ও আবেগপ্রবণ প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অনেকেই এই সিদ্ধান্তকে ‘বিরল সম্মান’ ও ‘কৃতজ্ঞতার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ’ হিসেবে অভিহিত করছেন। চলচ্চিত্র পরিচালক রবিউল ইসলাম রাজ তাঁর পোস্টে তারেক রহমানকে এই মহানুভবতার জন্য ‘লাল স্যালুট’ জানিয়েছেন।
দীর্ঘদিন ধরে যারা জিয়া পরিবারের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত, তারা মনে করছেন ফাতেমার এই স্বীকৃতি দলের কর্মীদের ত্যাগের প্রতি নেতার মমত্ববোধেরই বহিঃপ্রকাশ।












