পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ায় তুষারধসে একটি বাড়ি চাপা পড়ে এক পরিবারের অন্তত নয়জনের মৃত্যু খবর পাওয়া গেছে। পরিবারটির বেঁচে যাওয়া একমাত্র সদস্য হলো নয় বছরের একটি শিশু বালক। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। খবর পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) খাইবার পাখতুনখওয়া প্রদেশের চিত্রল জেলার দামিল এলাকার সেরিগাল গ্রামে স্থানীয় সময় বিকেলে ঘটনাটি ঘটে।
লোয়ার চিত্রলের ডিসি হাসিম আজিম জানিয়েছেন, তুষারপাতের পর আবর্জনার নিচে চাপা পড়ায় নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই এলাকায় ২০ ইঞ্চিরও বেশি তুষারপাত হওয়ার পর থেকেই ধস শুরু হয়। এরই এক পর্যায়ে জনবিরল পাহাড়ি ওই গ্রামটির নিকটবর্তী চারণভূমি থেকে প্রচুর তুষার গড়িয়ে নেমে এসে একাকী দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাড়িতে আঘাত হানে।
এতে ওই বাড়ির কর্তা বাচা খান, তার স্ত্রী, তিন ছেলে, দুই মেয়ে ও দুই শ্যালিকা নিহত হন। চাপা পড়ার আগে তারা রাতের খাবার খাচ্ছিলেন।
লোয়ার চিত্রলের ডিসি হাসিম আজিম জানিয়েছেন, আবর্জনার নিচে চাপা পড়া মৃতদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।
দেশটির গণমাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তুষারপাতের কারণে খাইবার পাখতুনখোয়া, বেলুচিস্তান, গিলগিট-বালতিস্তান এবং পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর (পিওকে) জুড়ে জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে।
চিত্রল উপত্যকায় ৩৬ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে টানা তুষারপাত হয়েছে। এতে জনজীবন মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। বহু সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। লোয়ারি টানেলের অ্যাপ্রোচ সড়ক প্রায় ১৮ ঘণ্টা ধরে বন্ধ হয়ে থাকায় কয়েক হাজার যাত্রী আটকা পড়েন। শুক্রবার সন্ধ্যায় তুষার পরিষ্কার পর ওই পথে যান চলাচল আবার শুরু হয়।
ভারি তুষারপাত হওয়ার পর থেকে আপার ও লোয়ার চিত্রলের বেশ কয়েকটি সড়ক বন্ধ রাখা হয়েছে।












