যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের বেশ জোরালো আলোচনা হয়েছে এবং দুই পক্ষ ‘প্রধান প্রধান বিষয়ে একমত’ হতে পেরেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় সোমবার (২৩ মার্চ) মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যের মেমফিসের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে ফ্লোরিডার একটি বিমানবন্দরে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে জোরালো আলোচনা হয়েছে। বিষয়গুলো কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেটাই এখন দেখার। তবে প্রধান প্রধান ইস্যুতে ঐকমত্যের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। এমনকি প্রায় সব বিষয়েই আমরা একমত হতে পেরেছি।’

তিনি আরও জানান, ইরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী এবং যুক্তরাষ্ট্রও একই লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। সম্ভবত আজ ফোনে আবারও কথা হবে।

ট্রাম্প যোগ করেন, ‘তারা (ইরান) একটি চুক্তি করতে খুব আগ্রহী। আমরাও একটি চুক্তি করতে চাই। আজ সম্ভবত ফোনের মাধ্যমে আমাদের কথা হবে।’

ট্রাম্প জানান, তার মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জারেড কুশনার এই আলোচনা চালাচ্ছেন।

ইরানের ঠিক কার সঙ্গে কথা হচ্ছে, তার নাম উল্লেখ না করলেও ট্রাম্প জানান, এই আলোচনায় ইরানের একজন ‘শীর্ষ পর্যায়ের সম্মানিত নেতা’ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

তবে ট্রাম্প জানান, সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কিছু জানতে পারেনি। খামেনি বেঁচে আছেন কি না, তা তিনি নিশ্চিত নন।

ট্রাম্প যোগ করেন, তিনি মোজতবা খামেনির মৃত্যু কামনা করেন না।

এদিকে গত শনিবার ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানকে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে হবে, নয়তো তাদের বিদ্যুৎ অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে। তার এই বক্তব্যের পর পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানায় ইরান। দেশটি হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেয়।