আসন্ন শিক্ষাবর্ষে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণিতে আগের মতোই এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সোমবার (১০ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘পুরনো পদ্ধতি অর্থাৎ মার্ক বা জিপিএ পদ্ধতিতে একাদশে ভর্তি হবে।’
এসময় তিনি আরো জানান, শিক্ষার্থীরা এবার থেকে শুধু নম্বর গণনা নয়, খাতা সম্পূর্ণ পুনঃপরীক্ষার সুযোগ পাবেন। ১৯৯৮ সালের পুরোনো আইনি বাধ্যবাধকতা পরিবর্তন করে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, যাতে কোনো ভুলত্রুটি থাকলে তা সংশোধন করা সম্ভব হয়।
পরীক্ষায় ভালো করার কথা থাকলেও অনেক সময় শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফল করতে পারে না জানিয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘আমাদের বোর্ডের ১৯৯৮ সালের আইন অনুযায়ী খাতা পরিদর্শনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। বর্তমানে আমরা এটি পরিবর্তন করেছি। যেসব শিক্ষার্থী পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদন করবেন, তাদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে। কোথাও কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে, সেগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার পরীক্ষায় গড় পাসের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬২.২৫ শতাংশে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী।
উল্লেখ্য, সোমবার প্রকাশিত চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী; যা ২০২৫ সালের ৬৮.৪৫ শতাংশ পাসের হার ও ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন জিপিএ-৫ পাওয়ার তুলনায় কিছুটা কম।












