মেক্সিকোর ফুটবলে উৎসবের উপলক্ষ এনে দিলো স্বাগতিকরাই। ঘরের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে ৮ বছর পর আবারও টুর্নামেন্টের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে মেক্সিকো।
প্রথমার্ধেই করা দুটি গোলই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়। দ্বিতীয়ার্ধে আর কোনও গোল না হলেও পুরো ম্যাচজুড়েই নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে দাপুটে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা।
মেক্সিকো সিটিতে ম্যাচের শুরুতে ঘরের দর্শক-সমর্থকদের আনন্দে ভাসানোর সুযোগ পেয়েছিলেন রাউল হিমেনেজ। তবে ষষ্ঠ মিনিটে ফ্রি হেডার হয়েও গোলরক্ষককে একদম সামনাসামনি পেয়েও সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেননি মেক্সিকোর অভিজ্ঞ এই স্ট্রাইকার।
পরে অবশ্য প্রায়শ্চিত্ত করেছেন হিমেনেজ। ৩১ মিনিটে গোল করে ঘরের সমর্থকদের উল্লাসে মাতান তিনি। ১০ গজ থেকে করা ৩৫ বছর বয়সী স্ট্রাইকারের গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় মেক্সিকো।
কেননা তার আগেই মেক্সিকো লিড এনে দেন হুলিয়ান কিনিয়োনেস। ২২ মিনিটে প্রথম গোলটি করেন ২৯ বছর বয়সী উইঙ্গার। এর আগে বেশ কটি সুযোগ পেয়েও জালের দেখা পায়নি স্বাগতিকরা।
এরপর বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগে, ৪২তম মিনিটে অসাধারণ এক আক্রমণ থেকে ব্যবধান ২-০ করে মেক্সিকান ফরোয়ার্ডরা। প্রথমার্ধের এই দুই গোলের ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি ইকুয়েডর।
দ্বিতীয়ার্ধে ইকুয়েডর গোল শোধ করতে মরিয়া হয়ে খেললেও মেক্সিকোর জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। উল্টো ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার ঠিক আগ মুহূর্তে মাথা গরম করে মেক্সিকোর এক খেলোয়াড়কে ফাউল করায় সরাসরি লাল কার্ড (রেড কার্ড) দেখে মাঠ ছাড়েন ইকুয়েডরের এক ডিফেন্ডার। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া ইকুয়েডরের ম্যাচ ফেরার শেষ আশাটুকুও সেখানেই শেষ হয়ে যায়।
শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের দাপুটে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মেক্সিকো। প্রথমার্ধের দুই গোল এবং শেষ মুহূর্তের লাল কার্ডের এই জয়ে কোয়ার্টার-ফাইনালের স্বপ্ন আরও দৃঢ় হলো মেক্সিকোর, আর বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হলো ইকুয়েডরকে।











