বিশ্বকাপের মঞ্চে নতুন ইতিহাস গড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্যারাগুয়ের বিপক্ষে দাপুটে ফুটবল খেলে ৪-১ গোলের জয় তুলে নিয়েছে মরিসিও পচেত্তিনোর দল। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে জিও রেইনার করা গোলেই ইতিহাসের পাতায় নাম লেখায় স্বাগতিকরা।
শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে যুক্তরাষ্ট্র। আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকা স্বাগতিকরা সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যায়।
ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিক ও ওয়েস্টন ম্যাককেনির তৈরি করা চাপ সামাল দিতে গিয়ে আত্মঘাতী গোল করে বসেন প্যারাগুয়ের মিডফিল্ডার ডামিয়ান বোবাদিয়া। সেই গোলেই এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র।
প্রথম গোলের পরও আক্রমণের গতি কমায়নি মার্কিনরা। ২৮ মিনিটে ফোলারিন বালোগুন বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।
তবে হতাশ হতে হয়নি তাকে। মাত্র তিন মিনিট পর পুলিসিকের বাড়ানো বল থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান ২-০ করেন এই স্ট্রাইকার।
প্রথমার্ধের একেবারে শেষে বক্সে দুই ডিফেন্ডারকে ঠান্ডা মাথায় ধোঁকা দিয়ে আবারও গোল করেন তিনি। প্রথমার্ধ শেষে যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে ছিল ৩-০ গোলে।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে কিছুটা বিতর্কও এসেছে। আলমিরনের অভিনয়ের কারণে প্রথমে রিমকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। তবে ভিএআর দেখে সিদ্ধান্ত বদলে রিমের কার্ড বাতিল করা হয়। উল্টো অভিনয়ের দায়ে হলুদ কার্ড দেখেন আলমিরন নিজেই।
বদলি হিসেবে নেমে প্যারাগুয়েকে ম্যাচে ফেরান মাউরিসিও। আলমিরনের পাস থেকে দারুণ ফিনিশে গোল করে স্কোর করেন ৩-১। তবে ম্যাচের একেবারে শেষ আক্রমণে জিও রেইনার গোলে স্কোর হয় ৪-১। আর তাতেই বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের এক ম্যাচে সর্বোচ্চ গোলের ইতিহাস রচিত হয়।












