ভারতের চেন্নাইয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার। সাম্প্রতিক সময়ে লিভার-সংক্রান্ত গুরুতর জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। শেষপর্যন্ত আর বাঁচানো যায়নি।

শুক্রবার (১৫ মে) দিবাগত রাতে পরলোকে পাড়ি দেন তিনি।

আগামীকাল তাঁর মরদেহ ভারত থেকে দেশে আনা হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনেত্রীর বাবা জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ।

তিনি জানান, আগামীকাল দুপুরে কারিনা কায়সারের মরদেহ দেশে পৌঁছাবে। এরপর বাদ আসর বনানী ডিওএইচএস জামে মসজিদে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

কায়সার হামিদ আরও জানান, সোমবার (১৮ মে) বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা শেষে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় কারিনার মরদেহ দাফন করা হবে।

লিভার–সংক্রান্ত জটিলতায় কয়েকদিন ধরে বেশ সংকটাপন্ন ছিলেন কারিনা কায়সার। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন তিনি।

পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার (১১ মে) রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাঁকে ভারতের চেন্নাইয়ে নেওয়া হয়। সেখানে ভেলোরের খ্রিস্টান মেডিকেল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসকেরা প্রথমে তাঁর ফুসফুসের চিকিৎসা শুরু করেছিলেন। এরপর লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও চলছিল। তবে শেষ পর্যন্ত আর তাঁকে বাঁচানো গেল না। শুক্রবার (১৫ মে) দিবাগত রাতে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জীবন ঘনিষ্ঠ কনটেন্ট ও প্রাণবন্ত উপস্থাপনা তরুণ দর্শকদের কাছে কারিনা কায়সারকে জনপ্রিয় করে তোলে। পরে ওটিটি ও নাটকের জগতেও পা রাখেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি চিত্রনাট্যকার হিসেবেও প্রশংসিত হয়েছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘ইন্টার্নশিপ’ ও ‘৩৬-২৪-৩৬’।