বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম আরও উজ্জ্বল করে লিখলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ২০২৬ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১০ গোল করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো গোল্ডেন বুট জিতেছেন ফ্রান্সের এই তারকা ফরোয়ার্ড। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে দুইবার গোল্ডেন বুট জয়ের কীর্তি গড়লেন তিনি।
এদিকে টুর্নামেন্টসেরা খেলোয়াড়ের ‘গোল্ডেন বল’, সেরা গোলরক্ষকের ‘গোল্ডেন গ্লাভ’ এবং সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের পুরস্কার; সবই গেছে স্প্যানিশদের ঝুলিতে।
অন্যদিকে গোল্ডেন বুট ও বলের দৌড়ে শুরু থেকে থাকলেও টুর্নামেন্টের ফাইনাল হেরে শেষ পর্যন্ত এর কোনোটিই জিততে পারেননি আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তবে তার ব্যক্তিগত অর্জনের খাতা একেবারে শূন্যও নেই। ইএসপিএন এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেরা খেলোয়াড় হিসেবে ‘সিলভার বল’ পুরস্কার যাচ্ছে মেসির ভাগে।
টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি হিসেবে গোল্ডেন বল জিতেছেন স্পেনের অধিনায়ক রদ্রি।
মাঝমাঠে অসাধারণ ধারাবাহিকতা ও নেতৃত্ব দিয়ে স্পেনকে দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জেতাতে বড় ভূমিকা রাখেন ম্যানচেস্টার সিটির এই মিডফিল্ডার। এর আগে তিনি ২০২৩ সালে ব্যালন ডি’অর এবং ২০২৪ ইউরোতে টুর্নামেন্টসেরার পুরস্কারও জিতেছিলেন।
এর আগে ২০১৪ ও ২০২২ বিশ্বকাপে গোল্ডেন বল জেতা মেসি এবার টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার নিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ করলেন। আর তৃতীয় সেরা খেলোয়াড় হিসেবে ব্রোঞ্জ বল জিতেছেন এমবাপ্পে।
সেরা গোলরক্ষকের ‘গোল্ডেন গ্লাভ’ উঠেছে স্পেনের উনাই সিমনের হাতে। পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র এক গোল হজম করেছেন তিনি। ৮ ম্যাচে ৭টি ক্লিন শিট রেখে স্পেনের রক্ষণকে অভেদ্য দুর্গে পরিণত করেন এই গোলরক্ষক।
সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন স্পেনের ১৯ বছর বয়সী ডিফেন্ডার পাও কুবার্সি। বার্সেলোনার এই সেন্টার-ব্যাক টুর্নামেন্টের প্রতিটি মিনিট খেলেছেন এবং স্পেনের রক্ষণভাগের অন্যতম ভরসা ছিলেন। ফাইনালে তার নেতৃত্বে আর্জেন্টিনাকে কার্যত আক্রমণে নিষ্ক্রিয় করে রাখে স্প্যানিশ ডিফেন্স।











