পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মতামত ও কারিগরি মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করা হবে। শুক্রবার নীলফামারীর ডালিয়া তিস্তা ব্যারাজ ও নদীভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
পরিদর্শনের সময় ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এবং পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ উপস্থিত ছিলেন।
পরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নসংক্রান্ত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিশেষজ্ঞ দল ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পানি সম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সবাই মিলে একত্রিত হয়ে আজকে এই এলাকায় এসেছি। সরেজমিন দেখেছি। ইনশাআল্লাহ পদ্মা ব্যারেজ যেভাবে একনেকে পাস হয়েছে, শিগগিরই আমাদের টেকনিক্যাল টিম কাজ করার পর রিপোর্ট দিলে তিস্তা মহপরিকল্পনার কাজ একনেকে পাস করানো হবে ইনশাআল্লাহ।’
উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যা দূর করতে তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে জানিয়ে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘এই প্রকল্প গ্রহণ করার আগে-পেছনে অনেক কথা বলতে পারেন। কিন্তু একটা কথাই আমি বলার চেষ্টা করছি—পরিকল্পনা অনুযায়ী যদি না আগাই তাহলে আমরা হোঁচট খেতে পারি। যার কারণে বিশেষজ্ঞ টিম কাজ করছেন। আমরা সবার মতামত গ্রহণ করব। প্রয়োজনে দুই-চারটা দেশের বিশেষজ্ঞদেরও।’
এর আগে মন্ত্রী তিস্তা প্রধান সেচ খাল, জলঢাকার ধাইজান নদী, চারালকাটা নদী ও দিনাজপুর সেচ খাল পরিদর্শন করেন। এ সময় পানিসম্পদ সচিব ড. এ কে এম শাহাবুদ্দিনসহ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে গঠিত ৯ সদস্যের কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।












