আওয়ামী লীগের টিকিটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন তিনি। প্রায় দুই বছর হলো দেশে ফিরতে পারেননি সাবেক এই টাইগার অধিনায়ক। এছাড়া সাকিবের নামে হত্যাসহ বেশ কয়েকটি মামলা আছে।
দেশে এসে মামলাগুলো মোকাবিলা করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন সাকিব। তবে শুধুমাত্র হয়রানি না করার নিশ্চয়তা পেতে চান সাবেক এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।
তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো আইনিভাবে মোকাবিলা করতে প্রস্তুত তিনি। তবে, প্রয়োজন কেবল স্বাভাবিক নিরাপত্তা ও হয়রানি না করার প্রতিশ্রুতি।
সম্প্রতি ভারতের মুম্বাইয়ে ‘ইইউ টি-টোয়েন্টি বেলজিয়াম’ লিগের লঞ্চিং ইভেন্টে অংশ নিতে গিয়ে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি, নিজের রাজনৈতিক অবস্থান এবং ক্রিকেট ক্যারিয়ার নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন দেশসেরা এ ক্রিকেটার।
দেশে ফেরা প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, আমি ফিরবো, কোর্টে যাবো, মামলা লড়বো। কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু, আমার নিরাপত্তা তো দিতে হবে। আমি তো বলছি না যে আমার জন্য রাস্তা বন্ধ করে দিতে হবে বা পুলিশের চারটা গাড়ি সামনে থাকবে। একটা স্বাভাবিক নিরাপত্তা তো আছে, আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত হয়রানি করা হবে না— এটুকু গ্যারান্টি কালকে দেওয়া হলে আমি পরশুই দেশে ফিরব।
এসময় তিনি দাবি করেন, তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে রাখায় তিনি চেক বাউন্সের মতো সাধারণ মামলাগুলোও নিষ্পত্তি করতে পারছেন না। দেড় বছর তদন্ত চললেও তার বিরুদ্ধে কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি বলে তিনি দাবি করেন।
অন্তর্র্বতী সরকারের সময় ২০২৪ সালের অক্টোবরেও দেশে ফেরার কথা ছিল সাকিবের। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সবকিছু ঠিকঠাক আছে জেনেই প্লেনে উঠেছিলাম। তখন যারা দায়িত্বে ছিলেন, তাদের সঙ্গে কথা বলেই দেশে যাচ্ছিলাম। দুবাইয়ে নামার পরে দেখলাম, ফোনে মিসড কল। আমি কল ব্যাক করলাম। ওখান থেকে বলল যে, ‘একটু সমস্যা হয়ে গেছে, আপনি না এলে ভালো হয়।’ আমি বললাম, ‘ঠিক আছে, তাহলে আর কী করার!’ দুবাইয়ে একদিন থেকে ফেরত গেলাম।












