আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন এই নির্বাচনে নতুনভাবে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে। তিনি বলেন সাংবিধানিক ভাবে নির্বাচিত সরকার উৎখাতের শক্তি কারো নেই। এসময় তিনি বিএনপির অগণতান্ত্রিক আহবানে সাড়া না দেয়ায় জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। আজ ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। রাজপথের বিষয় রাজপথেই জবাব দেবে। রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে কেউ গণতন্ত্র বিঘ্নিত করতে চাইলে আওয়ামী লীগ ছাড় দিবেনা। জনগণের জানমালের ক্ষতির চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যবস্থা নিবে।

তিনি বলেন বিএনপির হুমকি ধামকি অসাড়, ফাকা বুলি, বেলুনের মতো চুপসে গেছে। বিএনপির যারা কালো পতাকা নিয়ে মিছিল করতে চায়, তাদের উচিত নেতৃত্বের ব্যর্থতার দায়ে বিএনপি অফিস, নেতাদের বাড়ি কালো কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে রাখা।

ওবায়দুল কাদের বলেন কোন অপশক্তিকে দেশের গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেয়া হবেনা। কালো পতাকার নামে সন্ত্রাস সহিংসতার জানান দিচ্ছে বিএনপি। জনগণের জান মালের নিরাপত্তা ও গণতন্ত্রের নিরাপত্তায় আওয়ামী লীগ অবশ্যই কালো পতাকাবাহী অপশক্তিকে প্রতিহত করবে।  এরা ন্যায় বিচার, দেশ, গণতন্ত্রের শত্রু। এসময় জনগণের প্রতি সতর্ক থাকার আহবান জানান তিনি।

ব্যবসায়ীরা দাম নিয়ন্ত্রণে দেওয়া কথা রাখবে কিনা– এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা কথা রাখবে, মিষ্টি কথায় তো চিঁড়ে ভেজে না। কথা যেভাবে বলতে হয়, সেভাবেই বলতে হবে আমাদের। যে অ্যাকশনের দরকার, সে অ্যাকশন নিতে হবে। শুধু হুমকি ধমকি দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের শেষ মাস ডিসেম্বরে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৪১ শতাংশ। বছরজুড়েই মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ এর কাছাকাছি, তাতে সবচেয়ে বেশি ভুগতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পর কোনো কারণ ছাড়াই বেড়ে গেছে চালের দাম, যা নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দ্রব্যমূল্য কমিয়ে কীভাবে মানুষের নাগালের মধ্যে রাখা যায়, তার উপায় খুঁজতে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।