একুশে পদকপ্রাপ্ত বর্ষীয়ান সাংবাদিক ও দৈনিক বাংলার সম্পাদক তোয়াব খানকে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। সোমবার (৩ অক্টোবর) বাদ আসর বনানী কবরস্থানে মেয়ে এষা খানের কবরে সমাহিত করা হয় তাকে। ২৫ বছর আগে ছোট মেয়ে এষা খানকে যে কবরে সমাহিত করা হয়েছিল, সেটিতেই শেষ শয্যা হলো তোয়াব খানের।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় দৈনিক বাংলার কার্যালয়ে প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়। পরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তোয়াব খানের মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সর্বস্তরের মানুষ। এ ছাড়া ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে গার্ড অব অনার দেয়া হয়। পরে দুপুর ১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে তার মরদেহ নেয়া হয়। সেখানে সাংবাদিকরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং জানাজা হয়। বাদ আসর গুলশান কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে তোয়াব খানের তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তোয়াব খানের মরদেহ বনানী কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।

বার্ধক্যজনিত জটিলতায় অসুস্থতার পর তোয়াব খানকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে গত শনিবার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

সোমবার সকালে তেজগাঁওয়ে দৈনিক বাংলা ও নিউজবাংলা কার্যালয় প্রাঙ্গণে প্রথম জানাজা শেষে প্রথিতযশা সাংবাদিককে নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হয়।

এরপর মরদেহ নেওয়া হয় জাতীয় প্রেস ক্লাবে। সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে হয় জানাজা। আসরের নামাজের পর গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদে হয় তৃতীয় জানাজা। সেখান থেকে মরদেহ নেওয়া হয় বনানী কবরস্থানে।

বনানী কবরস্থানে তোয়াব খানকে সমাহিত করার সময় স্ত্রী, মেয়ে, ছোট ভাই, ভাগ্নে, ফুপাতো ভাইসহ পরিবারের অন্য সদস্য ও স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী বুধবার বাদ আসর তোয়াব খানের বনানীর বাসায় মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।