ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে নিজের অধ্যায়ের ইতি টানার ঘোষণা দিয়েছেন তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার জুনিয়র। ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর অবসরের ইঙ্গিত দিলেও এবার স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, জাতীয় দলের হয়ে আর খেলবেন না।
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে পুরোপুরি ফিট ছিলেন না ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। সে কারণে টুর্নামেন্টে মাত্র দুটি ম্যাচে সীমিত সময়ের জন্য মাঠে নামার সুযোগ পান। তার একমাত্র গোলটি আসে শেষ ষোলোতে নরওয়ের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে।
তবে সেই ম্যাচেই ২-১ গোলে হেরে বিদায় নেয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ফলে ২০০২ সালের পর আরও একটি বিশ্বকাপ শিরোপার স্বপ্ন অধরাই থেকে যায় সেলেসাওদের।
বিশ্বকাপ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ২০৩০ বিশ্বকাপে তাকে আবার দেখা যেতে পারে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে কোনো রাখঢাক করেননি নেইমার, ‘জাতীয় দলের সঙ্গে আমার পথচলা শেষ। সেখানে আমি ইতিহাস গড়েছি, আর সেটি নিয়ে আমি খুবই গর্বিত।’
নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যায় নেইমার আরও বলেন, ‘অনেক কিছুই পার করেছি। সব সময় নিজের সর্বোচ্চটা দিয়েছি এবং হলুদ জার্সির জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছি। কিন্তু আমার মনে হয়, এবার যথেষ্ট হয়েছে।’
জাতীয় দলের হয়ে নেইমার একমাত্র শিরোপা জিতেছিলেন ২০১৩ সালের কনফেডারেশন্স কাপে। এ ছাড়া ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকে অনূর্ধ্ব–২৩ দলকে নেতৃত্ব দিয়ে জিতেছিলেন স্বর্ণপদক। অপূর্ণ রইলো বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন। কিছুদিন আগে তার ২০৩০ বিশ্বকাপ খেলার গুঞ্জন ছড়ালেও, তা যে সত্যি নয় সেটাই প্রমাণ হলো নেইমারের সর্বশেষ মন্তব্যে।
জাতীয় দলের জার্সিতে তার সবচেয়ে বড় সাফল্য আসে ২০১৩ সালের ফিফা কনফেডারেশন্স কাপে। এছাড়া ২০১৬ সালে রিও অলিম্পিকে অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে নেতৃত্ব দিয়ে ব্রাজিলকে প্রথমবারের মতো অলিম্পিক স্বর্ণপদক এনে দেন। তবে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ হয়নি তার।
বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবো টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেইমার বলেছিলেন,
“বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন এখানেই শেষ। আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। আমার যাত্রাও এখানেই শেষ।”












