বছরের প্রথম এল ক্লাসিকোতে রিয়াল মাদ্রিদের এক আধিপত্য দেখল ফুটবল বিশ্ব। প্রথমার্থে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের হ্যাটট্রিকে কোণঠাসা হয়ে পড়া বার্সেলোনা। এর মাঝে বার্সার রবার্ট লেভান্ডোভস্কি একটি গোল করলেও সেটা ব্যবধান কমানো ছাড়া কোনো কাজে আসেনি। একক দাপট দেখিয়ে স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপা জিতল রিয়াল।
রোববার (১৪ জানুয়ারি) রাতে সৌদি আরবের রিয়াদে ম্যাচের শুরু থেকেই বল পজিশনে রেখে খেলতে থাকে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। ম্যাচের তিন মিনিটেই বার্সার রক্ষণভাগে দুইবার ভীতি ছড়িয়েছে ভিনি-রদ্রিগোরা। অন্যদিকে বেশ ভালোভাবেই জবাব দিয়েছিল কাতালানরাও।
ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই লিড নেয় রিয়াল। জুড বেলিংহ্যামের পাসে মাঝমাঠ থেকে পাওয়া বলে লস ব্লাঙ্কোসদের এগিয়ে দেন ভিনিসিয়ুস।
বার্সা ঘুরে দাঁড়ানোর সময় নেওয়ার আগেই ৩ মিনিটের ব্যবধানে লিড বাড়ান ব্রাজিল তারকা। দানি কারভাহালের লম্বা করে বাড়ানো বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন রদ্রিগো। এরপর ভিনিসিয়ুসের উদ্দেশে বল বাড়ালে দারুণ স্লাইডে লক্ষ্যভেদ করেন ভিনি।
এরপর বেশ কিছু সুযোগ পেলেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়নরা। তবে ম্যাচের ৩৩তম মিনিটে দারুণ এক ভলিতে ব্যবধান কমান লেভানদোভস্কি। ব্যবধান কমালেও তা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি কাতালানরা।
ম্যাচের ৩৯তম মিনিটে ডি-বক্সের ভেতরে ভিনিকে ফাউল করে বসে জাভির শিষ্যরা। এরপর পেনাল্টি থেকে হ্যাটট্রিক পূরণে কোনো ভুল করেননি ভিনি। এতে এল ক্লাসিকোর ইতিহাসে রেকর্ডে নাম তুলেন ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ড। একবিংশ শতাব্দীতে দ্রুততম সময়ে আর কোনো ফুটবলার তার চেয়ে বেশি হ্যাটট্রিক করতে পারেননি।
বিরতি থেকে ফিরে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে আনচেলত্তির শিষ্যরা। দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কিছু সুযোগও এসেছিল। তবে তা থেকে লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি তারা।
এরপর ম্যাচের ৬৪তম মিনিটে রদ্রিগোর গোলের পর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বার্সা। উল্টো ম্যাচের ৭০তম মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন বার্সা তারকা আনেন আরাউহো। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে বড় হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় কাতালানদের।