মরক্কোর বিপক্ষে শুরুতেই বিপাকে পড়েছিল ব্রাজিল। ২১তম মিনিটে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ে সেলেসাওরা। তবে ভিনিসিয়ূস জুনিয়রের দুর্দান্ত গোলে ১-১ গোলের সমতায় থেকেই বিরতিতে যায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। শেষ ড্র করে মাঠ ছেড়েছে দু’দল। আরব দেশটির হয়ে একমাত্র গোলটি করেন ইসমাইল সাইবারি, আর ব্রাজিলের পক্ষে সমতাসূচক গোলটি আসে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের পা থেকে।
কিছুটা চমক দেখিয়েই শুরুর একাদশ সাজায় ব্রাজিল। ইনফর্ম মাতাইস কুনিয়াকে শুরুর একাদশে না রেখে ইগর থিয়াগো নামান কোচ কার্লো আনচেলত্তি। ছিলেন না অভিজ্ঞ দানিলোও। কাসেমিরোও যেন বেশ ক্লান্ত ছিলেন। তবে দ্বিতীয়ার্ধে কিছু বদলের পর ম্যাচে প্রাণ ফিরলেও গোল আদায় করে নিতে পারেনি দলটি।
মূলত ফাবিনিয়োকে মাঝমাঠে নামানোর পর ব্রাজিল যেন নিজেদের স্বাভাবিক রূপ ফিরে পায়। বলের দখল ধরে রেখে ম্যাচের গতিপথ পাল্টে দেয় সেলেসাওরা। অন্যদিকে মরক্কো কিছুটা ক্লান্ত হয়ে পড়ে। বিশেষ করে হাকিমির পেছনের ফাঁকা জায়গা কাজে লাগানোর চেষ্টা চালায় ব্রাজিল। তবে বুয়াদ্দিসহ মরক্কোর মিডফিল্ডাররা দুর্দান্ত কভার দিয়ে ভিনিসিয়ুসকে বড় সুযোগ নিতে দেননি।
ম্যাচে এদিন ২১তম মিনিটে এগিয়ে যায় মরক্কো। ব্রাজিলের রক্ষণভাগে যোগাযোগের ঘাটতির সুযোগ কাজে লাগান ইসমাইল সাইবারি। গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার, গ্যাব্রিয়েল ও মারকিনিওসের ভুল বোঝাবুঝির মধ্যে বক্সের বাইরে থেকে বল তুলে জালে পাঠিয়ে দেন তিনি।
এই গোলের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আমেরিকার কোনো দলের বিপক্ষে গোল করার স্বাদ পেল আফ্রিকান চ্যাম্পিয়নরা।
তবে ৩২ মিনিটে গোলের দেখা পায় ব্রাজিল। বাঁ প্রান্ত দিয়ে মরক্কোর বক্সে ঢুকে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দারুণ শটে বল জালে জড়ান ভিনিসিয়ুস। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে সমতায় থেকে বিরতিতে গেছে দু’দল।
বিরতির পর আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলা চলতে থাকে। কয়েকটি সুযোগ তৈরি করে ব্রাজিল। তবে তা কাজে লাগাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে ড্র করে মাঠ ছাড়ে দু’দল।












