সারাদেশে কয়েকদিন ধরেই চলছে তীব্র গরম। এতে জনজীবন অতিষ্ট। এরই মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি পড়ছে। সঙ্গে বইছে ঠান্ডা বাতাস। এতে ভ্যাপসা গরম কমে আসায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। তবে  ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাড়ি ফেরা যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ জুন) সকালে যথারীতি সূর্য উদয় হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মেঘের আড়ালে চলে যায়। মাঝে মধ্যে উঁকি দিতে দেখা যায়। হালকা বাতাস থাকলেও ছিল ভ্যাপসা গরম। বিকেল থেকে রাজধানীর আকাশ অন্ধকার হতে থাকে। অবশেষে পৌনে ৫টার দিকে বিভিন্ন স্থানে ঝুম বৃষ্টি শুরু হয়। ক্ষণে ক্ষণে মেঘের গর্জনে কেঁপে উঠছে আকাশ।

বৃষ্টির কারণে বাস টার্মিনালগুলোতেও কাদা-পানির জন্য মানুষের চলাচলে বিঘ্ন হচ্ছে। অনেকের সঙ্গে থাকা ব্যাগ যেন না ভেজে তা বিভিন্নভাবে ঢেকে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। বৃষ্টিতে অনেকের সেই চেষ্টা বিফলেও যাচ্ছে।

রাজধানীর সায়েদাবাদ, কমলাপুর, যাত্রাবাড়ী, ধোলাইপাড় এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, শেষ কর্মদিবসের পর বিকেলে বাস টার্মিনালে ভিড় ঘরমুখো যাত্রীদের। রাজধানীর তীব্র যানজটের ভোগান্তি শেষ হতে না হতেই হঠাৎ নামলো ঝুম বৃষ্টি। এতে স্বস্তির বদলে বিপাকে পড়েছেন ঈদে বাড়ি ফেরা যাত্রীরা।

সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, কোরবানির ঈদের ছুটি শুরু হবে ঈদের আগের দিন অর্থাৎ ১৬ জুন (রোববার) থেকে। যা চলবে ১৮ জুন (মঙ্গলবার) পর্যন্ত। এর আগে ১৪ ও ১৫ জুন (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি। সে হিসাবে মোট পাঁচ দিনের ছুটি মিলছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।