ওয়ানডেতে ঘরের মাটিতে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স বেশ উজ্জ্বল। কিন্তু বিদেশের মাটিতে ইদানীং বেশ নিষ্প্রভ টাইগাররা। দ্বিপাক্ষিক সিরিজ কিংবা বিশ্বমঞ্চের মতো বড় প্রতিযোগিতায় ঘরের মাঠের মতো লড়াইটা দেখা যায় না। জিম্বাবুয়ে সিরিজেও একই চিত্রের দেখা মিলেছে। একমাত্র টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ হেরেছে টাইগাররা। অবশেষে তৃতীয় ম্যাচে এসেছে জয়, তাতে কেটেছে ৩৭১ দিনের অপেক্ষা।

হারারেতে সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। তার সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করেন বাংলাদেশের বোলাররা। তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলামের দারুণ বোলিংয়ে মাত্র ২৭ রানেই তিন উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে।

তবে এরপর ওয়েসলি মাধভেরে ও ব্র্যাড ইভান্স প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। দুজনের ফিফটিতে ভর করে স্বাগতিকরা লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করায়। শেষ পর্যন্ত ৪৮.১ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১৯৯ রান তোলে সিকান্দার রাজার দল।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। তাসকিন আহমেদ ও তানভীর ইসলাম দুটি করে উইকেট শিকার করেন। একটি উইকেট নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

রান তাড়ায় উদ্বোধনী জুটিতে ১৫১ রান যোগ হওয়ার পরই বাংলাদেশের জয় অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল।

৮২ বলে ৬৯ রান করে সৌম্য আউট হওয়ার পর যা একটু রোমাঞ্চ ছিল তা তানজিদের সেঞ্চুরি নিয়ে। দলের যখন জয়ের জন্য ৩ রান দরকার, তখন তানজিদের সেঞ্চুরির জন্য ছক্কা দরকার ছিল। পুরো এক ওভার মেডেন দিয়ে তাঁকে স্ট্রাইকও দিয়েছিলেন নাজমুল। কিন্তু ছক্কা মারতে গিয়ে তানজিদ ১০১ বলে ৯৪ রান করে ক্যাচ তুলে দেন। হৃদয়ও আউট হন একই ওভারে। পরে নাজমুল হোসেন বাকি ৩ রান করে দলের জয় নিশ্চিত করেন, তখন তাঁর সঙ্গী ছিলেন নুরুল।

২–১ ব্যবধানে এই সিরিজটি জিতেছে জিম্বাবুয়ে। আগামী ১৫ জুলাই শুরু হবে তিন ম্যাচ টি–টুয়েন্টি সিরিজ।