জর্ডানে ইরানের ভয়াবহ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের দুই সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন এবং এখনও একজন নিখোঁজ রয়েছেন। গত শুক্রবার (১৭ জুলাই) এই ঘটনা ঘটে। এর জেরে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) লক্ষ্যবস্তুতে গভীর রাতে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে রোববার (১৯ জুলাই) রাত দেড়টা থেকে এই শাস্তিমূলক অভিযান শুরু হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হরমুজ প্রণালীতে ইরানের হুমকি দেওয়ার সক্ষমতা হ্রাস করা।
এর আগে গত শুক্রবার জর্ডানে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হন, যার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন এই বিমান হামলার পর ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বহু এলাকায় তীব্র বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। ইরানি গণমাধ্যম তাসনিম ও মেহর নিউজ জানায়, ভোররাতে কেশম দ্বীপে অন্তত ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এছাড়া বন্দর আব্বাস, সিরিক ও হাজিয়াবাদ জেলাতেও মার্কিন যুদ্ধবিমান থেকে বোমাবর্ষণ করা হয়। তবে প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় কোনো হতাহত বা বড় ধরনের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।












