বিএনপির স্থায়ী কমিটি ও দলের মহাসচিবের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর পদ থেকেও পদত্যাগ করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে তাঁর পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
ব্যক্তিগত কারণ ও নতুনদের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার ইচ্ছার কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল জানান, দীর্ঘ সময় মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পর তিনি মনে করছেন এখন সময় এসেছে দলে তরুণ ও নতুন নেতৃত্বের সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার। তিনি ইতোমধ্যে দলের স্থায়ী কমিটির কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, “দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বিএনপি এবং এ দেশের মানুষের জন্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করেছি। প্রতিকূল সময়ে দল পরিচালনা করতে গিয়ে অসংখ্য নেতাকর্মীর ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছি, যার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। তবে এখন থেকে একজন সাধারণ কর্মী হিসেবেই আমি দলের সঙ্গে যুক্ত থাকব।”
হঠাৎ মির্জা ফখরুলের এই পদত্যাগের ঘোষণায় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। দলের সিনিয়র নেতাদের একাংশ তাঁকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানালেও তিনি তাঁর অবস্থানে অনড় রয়েছেন বলে জানা গেছে। পদত্যাগের পর দলের ভারপ্রাপ্ত বা নতুন মহাসচিব কে হতে যাচ্ছেন, তা নিয়ে এখন দলের ভেতরে ও বাইরে জোরালো গুঞ্জন চলছে।
এর আগে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নিজেদের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মনোনীত করেছে বিএনপি।












