ইউক্রেনে দু-একদিনের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র নতুন অস্ত্র এবং সরঞ্জাম পাঠানো শুরু করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেন, বুধবার আমার ডেস্কে বিলটি পৌঁছানোর সাথে সাথে এটি স্বাক্ষর করা হবে যাতে সহায়তা এই সপ্তাহে পাঠানো যায়।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মার্কিন সিনেটে দীর্ঘ বিলম্বিত ইউক্রেন, ইসরায়েল ও তাইওয়ানের জন্য ৯৫ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা প্যাকেজ পাস হওয়ার পরেই এ মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
বাইডেন বলেছেন, বুধবার আমার ডেস্কে বিলটি পৌঁছানোর সাথে সাথে এটি স্বাক্ষর করা হবে যাতে সহায়তা এই সপ্তাহে পাঠানো যায়। এমনটি জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।
বিল পাসের বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘কঠিন এ আইনটি আমাদের জাতি এবং বিশ্বকে আরও সুরক্ষিত করে তুলবে কারণ আমরা আমাদের বন্ধুদের সমর্থন করি যারা হামাসের মতো ‘সন্ত্রাসী’ এবং (রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির) পুতিনের মতো অত্যাচারীদের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার জন্য লড়াই করছে।’
ডেমোক্র্যাটিক সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা চাক শুমার বলেছেন, ‘ছয় মাসেরও বেশি পরিশ্রম এবং অনেক মোচড়ের পরে আমেরিকা সমগ্র বিশ্বের কাছে একটি বার্তা পাঠায়েছি যে ‘আমরা আপনার দিকে মুখ ফিরিয়ে নেব না।’
এদিকে ভোট পাসের পর এক প্রতিক্রিয়ায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, আমেরিকার এ ভূমিকা মুক্ত বিশ্বের নেতা হিসাবে আমেরিকাকে শক্তিশালী করে তুলবে।
সম্প্রতি পশ্চিমা বিশ্বের কাছে সাহায্য চেয়ে আসছিল ইউক্রেন। এর মধ্যে মার্কিন সিনেটে ৭৯ সদস্যের ভোটে পাস হলো সামরিক সহায়তা প্যাকেজ। ৯৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন সহায়তা প্যাকেজ থেকে ইউক্রেন পাচ্ছে ৬১ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া, ইউক্রেনকে ৬২ কোটি ডলারের অস্ত্র সহায়তা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আমেরিকা।
এদিকে, সহায়তা প্যাজেকের ২৬ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে ইসরায়েলের জন্য। গাজায় আগ্রাসন নিয়ে বিশ্বজুড়ে সমালোচনার মধ্যেই নতুন সহায়তার ঘোষণা এলো। যদিও, বরাদ্দকৃত অর্থের ৯১০ কোটি ডলার খরচ হবে গাজায় মানবিক সহায়তায়।
তাইওয়ানসহ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের মার্কিন মিত্ররা পাবে ৮১০ কোটি ডলার। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনা আধিপত্য রুখতেই এমন পদক্ষেপ।