শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় জড়িতদের শ্রীলঙ্কারমতো পরিস্থিতি তৈরী করে সরকার উৎখাতের পরিকল্পনা ছিলো বলে ভারতের হাইকমিশনারকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার গণভবনে ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করতে এলে তিনি একথা বলেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নাঈমুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এটা কোনো সাধারণ আন্দোলন ছিলো না।
সন্ত্রাসীরা এই আন্দোলনে ভর করে সহিংসতা করে। এই সহিংসতায় জীবন ও সম্পদহানির কথা তুলে ধরে দু:খ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রেস সচিব জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়াকে স্বাগত জানিয়েছেন ভারতের হাইকমিশনার।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভারত সফর প্রসঙ্গে প্রণয় ভার্মা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক সফল সফর অর্থবহ ফলাফল অর্জন করেছে এবং যা অতীতের অর্জনকে সুসংসহ করেছে এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতার একটা ব্লু-প্রিন্ট সৃষ্টি করেছে।
হাই কমিশনার বলেন, দুই দেশের যে জাতীয় ডেভেলপমেন্ট ভিশন, বাংলাদেশের ২০৪১ এবং ভারতের ২০৪৭ ভিশনের ভিত্তিতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সহযোগিতার একটা নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। ডিজিটাল ও গ্রিন অংশীদারত্ব, স্যাটেলাইটের যৌথ উন্নয়ন, ব্লু ইকোনোমি, ওশানোগ্রাফি, ফিনটেকসহ নতুন নতুন ক্ষেত্রে সহযোগিতা হবে।
আঞ্চলিক কানেকটিভি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, চার দেশের (বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া, নেপাল এবং ভুটান) মধ্যে কানেকটিভিটি জোরালো করার জন্য আমার সব দরজা খোলা।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।