লেবানন-ইসরাইলের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ তিন সপ্তাহের জন্য বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসে দুই দেশের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে এক বৈঠকের পর ট্রাম্প এই তথ্য জানান।
মার্কিন মধ্যস্থতায় দ্বিতীয় দফা আলোচনার জন্য ট্রাম্প ওভাল অফিসে, ওয়াশিংটনে নিযুক্ত ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লাইটার এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা মোয়াওয়াদকে আপ্যায়ন করেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, তিনি অদূর ভবিষ্যতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনকে আপ্যায়ন করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন।
তিনি বলেন, ইসরায়েলি ও লেবাননি প্রতিনিধিদের মধ্যকার এই আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের সঙ্গে ওয়াশিংটনে সরাসরি বৈঠকে বসার আশা করছেন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) এক প্রতিবেদনে এই গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতির বিস্তারিত জানানো হয়েছে।
হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এই বৈঠকে ট্রাম্পের সঙ্গে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের এক পর্যায়ে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, হিজবুল্লাহর মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীর উপস্থিতির কারণে পরিস্থিতি কিছুটা জটিল হলেও শান্তি প্রতিষ্ঠায় এই সংলাপ একটি বড় পদক্ষেপ।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আক্রান্ত হলে ইসরায়েলের নিজেকে রক্ষা করার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। অন্যদিকে লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদে মোয়াদ এই উদ্যোগের জন্য ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে তার বিখ্যাত স্লোগানের আদলে বলেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় লেবাননকে আবারও মহান করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিবেশী দেশ দুটির মধ্যে এটিই কয়েক দশকের মধ্যে প্রথম কোনো সরাসরি কূটনৈতিক সংলাপ।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন জানিয়েছেন, এই বর্ধিত যুদ্ধবিরতির লক্ষ্য হলো ইসরায়েলি আক্রমণ পুরোপুরি বন্ধ করা এবং দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার নিশ্চিত করা।











