জয় দিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করেছে বাংলাদেশ। তাওহিদ হৃদয়ের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ৬ উইকেটের জয় পেয়েছে টাইগাররা। ২৮ বলে ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন হৃদয়। এই জয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এই নিয়ে চারবার টি-টোয়েন্টিতে রান তাড়া করে জয়ের কীর্তি গড়ল বাংলাদেশ। আজ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে তারা কিউইদের দেওয়া ১৮৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জিতে ভেঙে দিল ২৮ মাসের পুরোনো রেকর্ড। এর আগে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৩৫ রান তাড়া করে জয়ের কীর্তি গড়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচটি হয়েছিল নেপিয়ারে। আজ ১১০০০ কিলোমিটার দূরে ২৮ মাস পর চট্টগ্রামে ঘরের মাঠে নতুন রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ।
১৮৩ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলকে ভালো শুরু এনে দেন দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম। উদ্বোধনী জুটিতে ৪১ রান যোগ করেন তারা। তবে দ্রুত গতিতে রান তুলতে ব্যর্থ হন এই দুই ওপেনার।
১৬ বলে ১৭ রান করে আউট হন সাইফ। এরপর ক্রিজে আসা লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন তানজিদ তামিম। রান তোলার গতি বাড়ানোর চেষ্টা করেন এই দুই ব্যাটার।
লিটন কিছুটা আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন। তবে দলীয় ৬৬ রানে ১৫ বলে ২১ রান করে সাজঘরে ফিরে যান টাইগার অধিনায়ক। এরপর ২৫ বলে ২০ রান করে তানজিদ তামিম আউট হলে বিপদ বাড়ে বাংলাদেশের।
এরপর পারভেজ ইমনকে সঙ্গে নিয়ে আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন হৃদয়। ৫৭ রানের জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটার। দলীয় ১৩৪ রানে ১৪ বলে ২৮ রান করে আউট হন ইমন। এক চারের সঙ্গে দুই ছক্কা হাঁকান তিনি।
ইমনের বিদায়ের পর ক্রিজে আসা শামীম হোসেনকে নিয়ে আরও আক্রমণাতœক ব্যাটিং করতে থাকেন হৃদয়। শামীমও চড়াও হন কিউই বোলারদের ওপর। ২৬ বলে ফিফটি পূরণ করেন হৃদয়।
এই দুই ব্যাটারের ব্যাটে ভর করে ১২ বল হাতে রেখে জয় পায় বাংলাদেশ। ২ চার ও ৩ ছক্কায় ২৭ বলে ৫১ রান অপরাজিত থাকেন হৃদয়। অন্যদিকে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ১৩ বলে ৩১ রান অপরাজিত থাকেন শামীম।
এর আগে টস হেরে আগে ব্যাটিং পেয়ে নিউজিল্যান্ড তাণ্ডব চালাচ্ছিল বাংলাদেশের ওপর। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে আজ প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়ক লিটন দাস একের পর এক বোলার পরিবর্তন করেও সফল হচ্ছিলেন না। প্রথম ১০ ওভারে ২ উইকেটে ১০০ রান করে ফেলে নিউজিল্যান্ড।
ম্যাচের প্রথম অংশ যদি হয় নিউজিল্যান্ডের, দ্বিতীয় অংশটা তবে বাংলাদেশের। ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮২ রান করে কিউইরা। ক্লার্ক, ক্লিভার দুজনই ৫১ রান করেছেন। বাংলাদেশের রিশাদ হোসেন ৪ ওভারে ৩২ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট নিয়েছেন শরীফুল, মেহেদী হাসান ও তানজিম সাকিব। ফ্লাডলাইট বিভ্রাটের কারণে মাঝে অবশ্য ১২ মিনিট খেলা বন্ধ ছিল।












