শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালীর ঐতিহাসিক পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে তিনি কোদাল দিয়ে মাটি কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে খালটির পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

১৯৭৯ সালের ৪ ডিসেম্বর ‘পাতলী খাল’ খনন করেছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দীর্ঘ ৪৭ বছর পর জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত এই খালটি পুনঃখননের উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি সকাল ১০টায় কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান রয়েছেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, দুপুর ১২টায় চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন। সেখান থেকে তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে কক্সবাজারের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করবেন এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। পরে নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।

একই সঙ্গে পেকুয়া পৌরসভা ও নতুন মাতামুহুরী উপজেলার অবকাঠামোগত বিভিন্ন কার্যক্রমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি।

দিনের সবচেয়ে আলোচিত আয়োজন হিসেবে রয়েছে চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভা। বিকেলে অনুষ্ঠিতব্য এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের। এ কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।

দিনের শেষ ভাগে তিনি কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ও মেরিন ড্রাইভ এলাকা পরিদর্শন করবেন। পরে একটি সুধী সমাবেশে অংশ নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন। নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে রাতে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তারেক রহমানের।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারজুড়ে প্রশাসনিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। নিরাপত্তা, জনসভা আয়োজন এবং সরকারি কর্মসূচিগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীরা প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।

এছাড়া একাধিক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী আগেই কক্সবাজারে পৌঁছে সফর-সংক্রান্ত কার্যক্রম সমন্বয় করছেন।