মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ে মধ্যকার বৈঠক শেষ হয়েছে। আলোচনাটি প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলে, যা মূল নির্ধারিত সময়ের দ্বিগুণ। সম্মেলনে মূলত দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য সংঘাত, প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা, তাইওয়ান সংকট এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান যুদ্ধের মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো প্রাধান্য পেয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের পর টেম্পল অব হেভেন-এ পৌঁছানোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনা ‘দারুণ’ হয়েছে।
যদিও এই সফর ঘিরে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক কৌতূহল ছিল, তবে বড় ধরনের কোনো নাটকীয় সাফল্যের খবর এখনও পাওয়া যায়নি। বৈঠক শুরুর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সম্মানে একটি বর্ণাঢ্য অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন শি জিনপিং।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই নেতা বৈঠকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছেন। এর মধ্যে ছিল মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি, ইউক্রেন সংকট এবং কোরীয় উপদ্বীপের অবস্থা।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই দেশের এই নতুন অবস্থান আগামী তিন বছর এবং তার পরেও দুই দেশের সম্পর্ককে কৌশলগতভাবে পরিচালনার পথ দেখাবে।
বৈঠকে শি জিনপিং বলেন, দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য দল ‘সামগ্রিকভাবে ভারসাম্যপূর্ণ ও ইতিবাচক ফলাফল’ অর্জন করেছে। তিনি উভয় পক্ষকে আহ্বান জানান, যেন এই অর্জিত ইতিবাচক অগ্রগতি বজায় রাখা হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘চীনের বাজার উন্মুক্তকরণের নীতি আরও বিস্তৃত হবে।’ একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো চীনের সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত রয়েছে। চীন যুক্তরাষ্ট্রকে চীনের সঙ্গে পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতা আরও বাড়াতে স্বাগত জানায়।











