ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের উত্তাপে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় কাতার থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে তীব্র জ্বালানি সংকটের মুখে পড়া বাংলাদেশ বাধ্য হয়ে এখন স্পট মার্কেট বা খোলা বাজার থেকে অস্বাভাবিক চড়া দামে এলএনজি কিনছে।
দুই দিনের মরিয়া চেষ্টার পর বুধবার দুই কার্গো এলএনজি সংগ্রহ করতে পেরেছে রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা। এর মধ্যে এক কার্গোর দাম পড়েছে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৮ ডলারের বেশি, অন্যটির দর ২৪ ডলার। গত ১ মার্চ যে গ্যাসের দাম ছিল ১০ ডলারের নিচে, মাত্র চার দিনের ব্যবধানে তা প্রায় আড়াই গুণ বেড়ে গেছে।
জ্বালানি সচিব মো. সাইফুল ইসলাম জানান, কাতারের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার জেরে বিশ্ব এলএনজি বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
টিবিএসকে তিনি বলেন, ‘চড়া দামেই স্পট এলএনজি কিনছি আমরা। চার দিন আগের তুলনায় এখন দাম প্রায় আড়াই গুণ বেশি।’
গানভোর থেকে কেনা এলএনজি কার্গো আগামী ১৫ কিংবা ১৬ মার্চ বাংলাদেশে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া ভিটলের চালান ১৮ কিংবা ১৯ মার্চ আসার কথা রয়েছে।
এর আগে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান এরফানুল হক জানিয়েছিলেন, মার্চে নির্ধারিত চারটি এলএনজি কার্গো ইতোমধ্যে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে। তবে, ১৫ ও ১৮ মার্চ আরও দুটি জাহাজ এখনও আটকে আছে। এজন্য স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনার জন্য মঙ্গলবার ও বুধবার দুই দফা দরপত্র আহ্বান করা হয়। তবে, এতে কোনও দরদাতা অংশ নেয়নি। পরে পেট্রোবাংলা স্পট মার্কেট থেকে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে দুই জাহাজ এলএনজি কেনার বিষয়টি চূড়ান্ত করে।












